ক্লোভ এসেনশিয়াল অয়েল কি ? :

  • লবঙ্গ থেকে প্রস্তুত হয় এই তেল। এক পৃথক গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে, এই এসেনশিয়াল অয়েলের প্রয়োগে টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। লবঙ্গের এই তেল অগ্ন্যাশয়ের কয়েকটি নির্দিষ্ট পাচকরসের মাত্রা হ্রাস করে, যা ডায়াবেটিসের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

ক্লোভ এসেনশিয়াল অয়েলের উপকারিতাঃ

  • ক্লোভ এসেনশিয়াল অয়েল ইনসুলিন মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস ইনসুলিন তৈরি করে এমন অগ্ন্যাশয়ের কোষগুলি ধ্বংস করে ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে তোলে, যা সাধারণভাবে কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত ইনসুলিন সারা শরীরে ছড়িয়ে দেয়। পোস্টপেন্ডিয়াল ইনসুলিন এবং গ্লুকোজ প্রতিক্রিয়া প্রক্রিয়াগুলি যখন আপনি ক্লোভ তেল ব্যবহার করেন তখন আরো নিয়ন্ত্রিত হতে থাকে।
  • শুধু যন্ত্রণা উপশমে নয়, উত্তেজক হিসেবেও দারুণ কাজ করে ক্লোভ বার অয়েল।
  • দাঁতে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হলে দাঁতের গোড়ায় দিতে হবে ঠিক ১ ফোঁটা ক্লোভ অয়েল। সাথে সাথেই পেয়ে যাবেন আরাম। এছাড়া নিয়মিত টুথপেস্টের সাথে ১ ফোঁটা ক্লোভ অয়েল মিশিয়ে ব্রাশ করলে দাঁত ব্যথার সম্ভাবনা থাকবে না।
  • ব্রণ নির্মূল করার জন্য প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসাবে, ৩ ড্রপ তেল নিয়ে নিন এবং ২ চা চামচ কাঁচা মধু দিয়ে মেশান। একসঙ্গে মিশ্রিত করুন এবং স্বাভাবিক হিসাবে আপনার মুখ ধুয়ে নিন।

  • প্রচন্ড মানসিক চাপ মোকাবেলা করার জন্য বিশেষজ্ঞগণ ক্লোভ এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করতে বলে।
ক্লোভ এসেনশিয়াল অয়েল রক্ত ​​পরিশোধক হিসাবে কাজ করতে পারে আবার রক্ত ​​সঞ্চালনও স্বাভাবিক করতে পারে। এটি রক্ত ​​থেকে বিষাক্ততা নিষ্কাশন করতে সাহায্য করে। সুগন্ধি নির্যাস আপনার রক্তের বিষাক্ত মাত্রা কমাতে পারে এবং শরীরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মাত্রা জাগিয়ে তুলতে পারে যা প্লেটলেটগুলিকে আরও বিশুদ্ধ করে এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কাজকে বাড়িয়ে তুলবে।
·উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য ক্লোভ এসেনশিয়াল অয়েল একটি সমাধান। ব্রিটিশ জার্নাল অফ ফার্মাকোলজি-তে প্রকাশিত ২০১৫ সালে প্রকাশিত প্রাণী গবেষণাটি জানায় যে ক্লোভ তেলের মধ্যে পাওয়া ইউজেনল শরীরের প্রধান ধমনীকে প্রসারিত করতে সক্ষম হতে পারে এবং সিস্টেমিক রক্তচাপ কমিয়ে দেয়।
·এই গবেষণায় দেখা যায় যে ইউজেনল মাত্রা নিয়ন্ত্রন করে বিরুদ্ধে লিভার রোগ হতে রক্ষা করতে পারে।
লিভার প্রতিরক্ষামূলক সবচেয়ে ভালো তেল ক্লোভ অয়েল।

[বিঃদ্রঃ প্রতিটি এসেনশিয়াল অয়েল-ই একদম পিওর প্রাকৃতিক উপাদান থকে নিৎসৃত। ফলে পরিমানে অল্প হওয়া সত্বেও অনেক বেশি ইফেক্টিভ। নির্দিষ্ট পরিমান ব্যবহার যেমন উপকারী অতিরিক্ত ব্যবহার তেমনি ক্ষতিকারক সুতরাং কতটুকু পানি বাঁ তেল এর সাথে কি পরিমান অয়েল মেশাবেন তা আপনার ব্যাধি অনুযায়ী হেলথ প্র্যাক্টিশনারগণের সাথে পরামর্শ করে নিবেন]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

3 × 5 =