এটা কোন সাধারণ মাথা ব্যথা নয়, এক অসহ্য যন্ত্রনাদায়ক অনুভূতির নাম। যিনি এই সমস্যা মোকাবেলা করেন তিনিই শুধু উপলব্ধি করেন কত কষ্ট এই সমস্যায়। স্কুলে থাকতে আমার এক বন্ধু ছিল, যাকে বাধ্যতা মূলক প্রতি দিন দুপুরে ঘুমাতে হত। না হলে অসহ্য মাথা ব্যথা বাকি সময়টুকু তাকে যন্ত্রনা দিত। কর্মজীবনে এসে অনেক কে দেখেছি মাথা ব্যথায় কাজ করতে পারছেনা। কি সমস্যা জিজ্ঞেস করায় জানায় মাইগ্রেন এর ব্যথায় মাথা ছিড়ে নিচ্ছে। মাইগ্রেন এর ব্যথায় অনেকে জ্ঞানও হারায় শুনেছি। কিন্তু এই মাইগ্রেন এর সমস্যা আসলে কি ? কিভাবে সৃষ্টি হয়, কেনই বা হয়? এর প্রতিকার ও প্রতিরোধই বা কি এই সকল বিষয়ক নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করব আজ।

মাইগ্রেন (Migraine) কী ?:

মাইগ্রেন হচ্ছে মস্তিস্কের এক ধরনের রোগ। একে নিউরোভাস্কুলার ডিজঅর্ডার বলা হয়। এই রোগে সাধারণত মাথার এক পাশে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভুত হয়। সেই ব্যথা অনেক সময় উভয় পাশেও ছড়িয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে রক্তশিরায়ও ছড়িয়ে যায়।  মাইগ্রেন এর সমস্যায় অনেকের আলো, শব্দ, আবহাওয়ার পরিবর্তন, কিছু খাবার যেমন- পনির, চকলেট, আঙ্গুরের রসে প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়।

“Migraine” শব্দটি গ্রীক শব্দ ἡμικρανία (হেমিক্রানিয়া) থেকে আগত, যার অর্থ “মাথার একদিকে ব্যথা” । ἡμι- (হেমি-), “অর্ধেক”, এবং κρανίον (ক্রানিয়ন), “খুলি” থেকেই এর উৎপত্তি । যদিও বর্তমানে আমরা জানি কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাইগ্রেনে মাথা ব্যথা নাও হতে পারে।

মাইগ্রেনের ধরণঃ

লক্ষণও সংকেত ভেদে মাইগ্রেনের বেশ কয়েক প্রকার ধরণ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • আগাম সংকেত( লক্ষণ) সহ মাইগ্রেন – যেখানে মাইগ্রেন শুরু হওয়ার ঠিক আগে নির্দিষ্ট সতর্কতা চিহ্ন থাকে, যেমন ঝলকানি আলো দেখা
  • আগাম সংকেত( লক্ষণ) ছাড়া মাইগ্রেন – সবচেয়ে সাধারণ ধরন, যেখানে নির্দিষ্ট সতর্কতা চিহ্ন ছাড়াই মাইগ্রেন হয়
  • মাথাব্যথা ছাড়াই, মাইগ্রেনের আগাম সংকেত। যাকে সাইলেন্ট মাইগ্রেনও বলা হয় – যেখানে আগাম সংকেত বা মাইগ্রেনের অন্যান্য লক্ষণ দেখা যায়, কিন্তু মাথাব্যথা হয় না।

কিছু লোকের প্রায়শই মাইগ্রেনর ফলে মাথা ব্যথা হয়। এমনকি সপ্তাহে কয়েকবার ও হতে পারে। অন্যদের মাঝে মাঝে মাইগ্রেন হয়। অনেক সময় আবার অনেকের কয়েক বছরের মাঝে মাইগ্রেনের সমস্যা হয় না ।

মাইগ্রেনের লক্ষণসমূহঃ

মাইগ্রেনের এক বা দুই দিন আগে, আপনি সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলি লক্ষ্য করতে পারেন যা আসন্ন মাইগ্রেনের বিষয়ে সতর্ক করে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • কোষ্ঠকাঠিন্য
  • মেজাজ পরিবর্তন (বিষণ্নতা থেকে উচ্ছ্বাস)
  • খাবারের ক্ষুধা
  • ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া
  • প্রস্রাব বৃদ্ধি
  • উজ্জ্বল দাগ বা আলোর ঝলক দেখা
  • দৃষ্টিশক্তি হ্রাস
  • একটি বাহু বা পায়ে পিন এবং সূঁচ সংবেদন
  • মুখ বা শরীরের একপাশে দুর্বলতা বা অসাড়তা
  • কথা বলতে অসুবিধা

মাইগ্রেন এর কারণসমূহঃ

মাইগ্রেনের সঠিক কারণ আজও অজানা। যদিও সেগুলি মস্তিষ্কের রাসায়নিক, স্নায়ু এবং রক্তনালীতে অস্থায়ী পরিবর্তনের ফলাফল বলে মনে করা হয়। মাইগ্রেনের প্রায় অর্ধেক লোকের এই সমস্যা জিন (বংশগতি) এর মাধ্যমে পেয়ে থাকে।

বহু বছর ধরে, বিজ্ঞানীরা ভেবেছিলেন মস্তিষ্কে রক্ত ​​প্রবাহের পরিবর্তনের কারণে মাইগ্রেন হয়ে থাকে। তবে বেশিরভাগই এখন মনে করেন যে এটি ব্যথা বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে, তবে এটিই ব্যথা সৃষ্টির কারণ নয়। বর্তমানে গবেষকদের চিন্তাভাবনা হল যে মাইগ্রেন সম্ভবত শুরু হয় তখন যখন অতিরিক্ত সক্রিয় স্নায়ু কোষগুলি আপনার ট্রাইজেমিনাল স্নায়ুকে ট্রিগার করে এমন সংকেত পাঠায়, যা আপনার মাথা এবং মুখে সংবেদন দেয়। এটি আপনার শরীরকে সেরোটোনিন (serotonin) এবং ক্যালসিটোনিন জিন-সম্পর্কিত পেপটাইড (calcitonin gene-related peptide সংক্ষেপে CGRP) এর মতো রাসায়নিক মুক্ত করতে নির্দেশ করে। CGRP আপনার মস্তিষ্কের আস্তরণের রক্তনালীগুলিকে ফুলিয়ে তোলে। তারপর, নিউরোট্রান্সমিটারগুলি প্রদাহ এবং ব্যথা সৃষ্টি করে।

কাদের মাইগ্রেনের ঝুঁকি বেশি ?ঃ

গবেষণায় দেখা যায় প্রতি ৫ জন নারীর ১ জনের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে এবং প্রতি ১৫ জন পুরুষে ১ জন এই সমস্যায় আক্রান্ত। আমেরিকান মাইগ্রেন ফাউন্ডেশন এর তথ্য মতে আনুমানিক ৩৮ মিলিয়নেরও বেশি আমেরিকান মাইগ্রেনে আক্রান্ত। গবেষণায় দেখা যায় বিশেষ কিছু মানুষের মাঝে মাইগ্রেনের সম্ভাবনা বেশি ও বিশেষ কয়েকটি পরিস্থিতি সেই সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে:

লিঙ্গঃ পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের তিনগুণ বেশি মাইগ্রেন হয়ে থাকে।

বয়সঃ বেশিরভাগ লোকের মাইগ্রেনের মাথাব্যথা শুরু হয় ১০ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে। কিন্তু অনেক মহিলা দেখেন যে তাদের মাইগ্রেন ভাল হয়ে যায় ৫০ বছর বয়সের পরে।

পারিবারিক ইতিহাসঃ মাইগ্রেনে আক্রান্ত পাঁচ জনের মধ্যে চারজনই পরিবারের অন্য সদস্যরা থেকে এই সমস্যা পেয়ে থাকেন। যদি পিতা মাতার যে কোন একজনের এই ধরনের মাথাব্যথার ইতিহাস থাকে, তবে তাদের সন্তানের সেগুলি হওয়ার সম্ভাবনা ৫০% থাকে। যদি বাবা-মা উভয়েই এই সমস্যা থেকে থাকে , তবে ঝুঁকি ৭৫% পর্যন্ত বেড়ে যায়।
অন্যান্য চিকিৎসা পরিস্থিতিঃ বিষণ্নতা, উদ্বেগ, বাইপোলার ডিসঅর্ডার, ঘুমের সমস্যা এবং মৃগীরোগ ব্যক্তির মাইগ্রেন হবার ঝুকি বাড়াতে পারে।

যে পরিস্থিতি গুলি মাইগ্রেনের সমস্যা (ট্রিগার) বাড়িয়ে দেয়ঃ

হরমোনের পরিবর্তনঃ অনেক মহিলা লক্ষ্য করেন যে তাদের পিরিয়ডের সময়ের আশেপাশে, গর্ভবতী থাকাকালীন বা যখন তারা ডিম্বস্ফোটন করে তখন তাদের মাথাব্যথা হয়। লক্ষণগুলি মেনোপজ, হরমোন ব্যবহার করে জন্মনিয়ন্ত্রণ বা হরমোন প্রতিস্থাপন থেরাপির সাথেও যুক্ত হতে পারে।

মানসিক চাপঃ যখন আপনি চাপে থাকেন, তখন আপনার মস্তিষ্ক রাসায়নিক মুক্ত করে যা রক্তনালীর পরিবর্তন ঘটাতে পারে যা মাইগ্রেনের ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে।

খাবারঃ কিছু খাবার এবং পানীয়, যেমন পুরাতন পনির, অ্যালকোহল, এবং নাইট্রেট (পেপারোনি, হট ডগ এবং লাঞ্চমিট) এবং মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট (এমএসজি) এর মতো খাদ্য সংযোজন কিছু মানুষের মাইগ্রেনের জন্য দায়ী হতে পারে।

খাবার এড়িয়ে যাওয়াঃ অনেকেই আছেন যারা সময় মত খাবার খান না বা কোন বেলায় খাবার গ্রহণ করেন না। ফলে অতিরিক্ত ক্ষুদা অনেক সময় মাইগ্রেন এর ব্যথাকে বাড়ায় দেয়।

ক্যাফেইনঃ খুব বেশি ক্যাফেইন গ্রহণ বা আপনি যতটা অভ্যস্ত তা না পাওয়া মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। যদিও ক্যাফেইন নিজেই তীব্র মাইগ্রেনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হতে পারে।

আবহাওয়ার পরিবর্তনঃ ঝড়ের মাঝে, ব্যারোমেট্রিক চাপের পরিবর্তন, প্রবল বাতাস, বা বেশি উচ্চতায় উঠলে মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ইন্দ্রিয়জনিতঃ উচ্চ শব্দ, উজ্জ্বল আলো, এবং তীব্র গন্ধ মাইগ্রেন শুরু করতে পারে।

ওষুধঃ ভাসোডিলেটর, যা আপনার রক্তনালীগুলিকে প্রশস্ত করে, মাইগ্রেন ট্রিগার করতে পারে।
শারীরিক কার্যকলাপঃ এর মধ্যে রয়েছে ব্যায়াম এবং যৌনতা।
তামাকঃ তামাক গ্রহণের ফলে মাইগ্রেন জনিত সমস্যা শুরু হতে পারে।
ঘুমের সময়ের পরিবর্তনঃ আপনি খুব বেশি ঘুমালে বা পর্যাপ্ত না ঘুমালে আপনার মাথাব্যথা হতে পারে।

ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে মাইগ্রেনের প্রভাবঃ

যখন ধমনীতে রক্ত ​​​​জমাট বা ফ্যাটি উপাদান দ্বারা মস্তিষ্কে রক্ত ​​​​সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় তখন ইসকেমিক স্ট্রোক ঘটে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা মাইগ্রেন (বিশেষত অরা (সতর্কতা লক্ষণ) সহ মাইগ্রেন) অনুভব করেন তাদের মাইগ্রেনবিহীন লোকদের তুলনায় কোন সময়ে ইস্কেমিক স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ থাকে। তবে এই ঝুঁকি এখনও অনেক কম। তবে ইস্কেমিক স্ট্রোক কেন মাইগ্রেনের সাথে যুক্ত তা স্পষ্ট নয়।

খুবই স্বল্প মাত্রায় হলেও মাইগ্রেন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাগুলির ঝুঁকির বর্ধিত করে থাকে, যার মধ্যে রয়েছে: বিষণ্ণতা, বাইপোলার ডিসঅর্ডার, উদ্বেগজনিত ব্যাধি, প্যানিক (আতংক) ব্যাধি।

মাইগ্রেন চিকিৎসা খাতের খরচ বাড়িয়ে তোলে ও উৎপাদন কমিয়ে দেয়। অনেকে মনে করেন যে ইউরোপীয় অঞ্চলে এটি সবচেয়ে ব্যয়বহুল নিউরোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার। এতে প্রতি বছর €২৭ বিলিয়ন খরচ হয় ঐ অঞ্চলে। যুক্তরাষ্ট্রে এই খরচ প্রায় $১৭ বিলিয়ন ডলার। এরমধ্যে বড় একটি অংশই হচ্ছে পরোক্ষ খরচ, যার মধ্যে কাজে অনুপস্থিতি একটি অন্যতম বড় কারণ। গবেষণায় দেখা যায় যারা মাইগ্রেন সহ্য করেও কাজে যায়, তাদের ক্ষেত্রে কার্যক্ষমতা এক তৃতীয়াংশ কমে যায়। ব্যক্তির পারিবারিক জীবনেও এর খারাপ প্রভাব দেখা দেয়।

মাইগ্রেন কি নিরাময়যোগ্য?

মাইগ্রেনের জন্য এখনও কোন প্রতিকার নেই। কিন্তু কিছু ওষুধ প্রতিরোধ বা বন্ধ করতে সহায়তা করতে পারে বা আপনার লক্ষণগুলিকে আরও খারাপ হওয়া থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করতে পারে। আপনি এমন জিনিসগুলি এড়াতে পারেন যা আপনার মাইগ্রেনকে ট্রিগার করে। মানসিক চাপ কমানো এবং ভালো ঘুমের অভ্যাসের মতো জীবনধারার পরিবর্তনও সাহায্য করতে পারে।

মাইগ্রেন রোগ নির্ণয়ঃ

আপনার ডাক্তার আপনার স্বাস্থ্যের ইতিহাস এবং আপনার লক্ষণগুলি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন। আপনার লক্ষণগুলি একটি ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করুন এবং আপনি লক্ষ্য করেছেন এমন কোনো ট্রিগার থাকলে নোট করুন।

  • আপনার কি উপসর্গ আছে,
  • যেখানে এটি ব্যাথা সহ কত ঘন ঘন আপনি তাদের আছে
  • তারা কতক্ষণ স্থায়ী হয়
  • পরিবারের অন্য কোনো সদস্য যাদের মাইগ্রেন আছে
  • আপনি যে সমস্ত ওষুধ এবং সম্পূরকগুলি গ্রহণ করেন, এমনকি ওভার-দ্য-কাউন্টারও অন্যান্য ওষুধ যা আপনি অতীতে খাওয়ার কথা মনে রাখবেন ———————-

আপনার ডাক্তার অন্যান্য বিষয়গুলিকে বাতিল করার জন্য পরীক্ষার আদেশ দিতে পারে যা আপনার লক্ষণগুলির কারণ হতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:

  • রক্ত পরীক্ষা
  • এমআরআই বা সিটি স্ক্যানের মতো ইমেজিং পরীক্ষা
  • ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাম (ইইজি)

মাইগ্রেনের চিকিৎসা এবং ঘরোয়া প্রতিকারঃ

মাইগ্রেনের মাথাব্যথার কোন প্রতিকার নেই। কিন্তু অনেক ওষুধ তাদের চিকিত্সা বা প্রতিরোধ করতে পারে। সাধারণ মাইগ্রেনের চিকিত্সার মধ্যে রয়েছে:

ঘরোয়া প্রতিকারঃ

আপনি মাইগ্রেনের লক্ষণগুলিকে সহজ করতে পারেন:

  • অন্ধকার, শান্ত ঘরে চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিতে পারেন
  • আপনার কপালে একটি শীতল কম্প্রেস বা বরফের প্যাক রাখুন
  • প্রচুর পরিমাণে তরল পানীয় পান করুন

মাইগ্রেন প্রতিরোধঃ

উপসর্গ প্রতিরোধ করার জন্য এই পদক্ষেপগুলি চেষ্টা করুন:

  • ট্রিগার চিহ্নিত করুন এবং এড়িয়ে চলুন। একটি ডায়েরিতে আপনার উপসর্গের প্যাটার্নগুলি ট্র্যাক করুন যাতে আপনি তাদের কারণ কী তা বুঝতে পারেন।
  • মানসিক চাপ কে সামলাতে হবে, ধ্যান, যোগব্যায়াম এবং মননশীল শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো শিথিলকরণ কৌশলগুলি সাহায্য করতে পারে।
  • নিয়মিত সময়সূচীতে খাবার গ্রহণ করুন।
  • প্রচুর তরল পান করুন।
  • পর্যাপ্ত বিশ্রাম গ্রহণ করুন।
  • নিয়মিত পরিমিত ব্যায়াম করুন।
  • আপনার পিরিয়ডের আশেপাশের সময়ে মাইগ্রেন হলে বা জীবনযাত্রার পরিবর্তনগুলি সাহায্য না করলে প্রতিরোধমূলক ওষুধ সম্পর্কে আপনার ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করুন।

কিছু নতুন ডিভাইস মাইগ্রেন প্রতিরোধ করতে পারে। সেফালি একটি হেডব্যান্ডের মতো গ্যাজেট যা আপনার কপালের ত্বকের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক স্পন্দন পাঠায়। এটি আপনার ট্রাইজেমিনাল নার্ভকে প্রভাবিত করে, যা মাইগ্রেনের মাথাব্যথার সাথে যুক্ত। আপনি দিনে একবার 20 মিনিটের জন্য Cefaly ব্যবহার করুন। এটি চালু হলে, আপনি একটি ঝাঁকুনি বা ম্যাসেজিং সংবেদন অনুভব করবেন। আরেকটি উদ্দীপক, গামাকোর, ব্যথা উপশম করতে এবং মাইগ্রেন প্রতিরোধে সাহায্য করতে আপনার ঘাড়ের ভ্যাগাস নার্ভের তন্তুগুলিতে একটি হালকা বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠায়।

রেফারেন্স (References) সমূহঃ

  1. Mayo Clinic
  2. NHS
  3. WebMD
  4. MedlinePlus
  5. healthline
  6. উইকিপিডিয়া

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here